Followers

Sunday, May 20, 2018

Businesses Idea

১. কলম তৈরী।
২. তরল কাপড় কাচা সাবান।
৩. সেন্ডল তৈরী।
৪.LED বাল্ব তৈরী।
৫. চা প্যাকিং ও বাজার জাতকরণ।
৬. তারকাটা তৈরী ও বাজার জাতকরণ
৭. লবন প্যাকিং ও বাজার জাতকরণ।
৮. মেহেন্দি তৈরী ও বাজার জাতকরণ
৯. ছোট তেলের মেশিন।
১০. মাছের খাবার তৈরী।
১১. বল্ম তৈরী ও বাজার জাতকরণ
১২. গুড়া মসলা।
১৩. সেন্ডল 01977886660  ইমো। ভাইবার, হোয়াট্স এপ।

১৪.

Saturday, May 19, 2018

মুরগির বাচ্চা পালন

মুরগির বাচ্চা পালন


ভূমিকাঃ

দেশের অধিকাংশ মানুষ নিজের বসতবাড়িতেই মুরগির বাচ্চাপালন করে থাকেন। এখনও পুরোনো পদ্ধতিতে মুরগির বাচ্চাপালন করা হচ্ছে। তবে বর্তমানে জনসাধারণের মাঝে উন্নতপদ্ধতিতে মুরগির বাচ্চা পালনে আগ্রহের সৃষ্টি হচ্চে। যাদেরআবাদি জমি বলতে কিছুই নেই তাঁরা বসতবাড়িতে অল্প শ্রমে, স্বল্প পুঁজিতে, অবসর সময়ে মুরগির বাচ্চা পালন করতেপারেন। সম্ভ্রান্ত পরিবারের অনেকেই অবশ্য মুরগির বাচ্চা পালনশুরু করেছেন। এভাবে বাচ্চা পালনের দিকে সবাই মনযোগীহলে একদিকে পরিবারের আমিষ জাতীয় খাদ্যের চাহিদামেটানো যাবে, অপরদিকে বাড়তি আয়েরও সুযোগ হবে। তবেবাচ্চা পালন করার পূর্বে বাচ্চা পালন সম্পর্কে বিজ্ঞানভিত্তিক কিছুজ্ঞান থাকলে অনেক উন্নতভাবে ঐগুলি পালন করা সম্ভব হয়।

মুরগির বাচ্চা পালতে যা জানতে হয়ঃ

বাচ্চার শরীরে লোম পড়ে নতুন পালক না গজানো পর্যন্ত তারাশরীরের তাপ নিয়ন্ত্রন করতে পারে না। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটারপর ৬-৮ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত তাপের ব্যবস্থাসহ বাচ্চাকে সর্বাধিকআরামের নিশ্চয়তা বিধান করতঃ বাচ্চা পালনের নামই ব্রুডিং।যে সরঞ্জামের মাধ্যমে তাপের ব্যবস্থা করা হয় তাকে ব্রুডার বলাহয়।

ব্রুডিং যেভাবে করা হয়ঃ

ব্রুডিং দু’ভাবে করা যায়। যথাঃ

(ক) প্রাকৃতিক ব্রুডিং (খ) কৃত্রিম ব্রুডিং

(ক) প্রাকৃতিক ব্রুডিং: মুরগির সাহায্যে ব্রুডিং করে বাচ্চা পালনকরার পদ্ধতিকে প্রাকৃতিক ব্রুডিং বলা হয়। একটু লক্ষ করলেইদেখা যায় বাচ্চাগুলো মায়ের পেটের নিচে বা ডানার ভিতরেগিয়ে মাঝে মাঝে জমা হয়। এভাবে মায়ের উষ্ণ সান্নিধ্যেবাচ্চাগুলো প্রয়োজনীয় তাপ সংগ্রহ করে থাকে। একটি কুচ্চেমুরগি দিয়ে ১৫-১৬টি বাচ্চা ব্রুডিং করা যায়।

(খ) কৃত্রিম ব্রুডিং: মুরগির বাচ্চা সাধারণতঃ যে পরিমাণ তাপেআরাম বা সাচ্ছন্দ বোধ করে সে তাপ কৃত্রিম উপায়ে সৃষ্টি করতেহয়। ইহাতে কুচ্চে মুরগির পরিবর্তে ব্রুডার ব্যবহৃত হয়। ব্রুডারহিসেবে বৈদ্যুতিক বাতি, কেরোসিন বাতি, গ্যাসের বাতি, হারিকেন ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।

কৃত্রিম পদ্ধতিতে ব্রুডিং যেভাবে হয়ঃ

কৃত্রিম পদ্ধতিতে ব্রুডিং দু’ভাবে করা যায়ঃ

(ক) মেঝেতে বাচ্চা ব্রুডিং করা (খ) ব্যাটারী বা খাঁচায় বাচ্চাব্রুডিং করা

মেঝেতে বাচ্চা ব্রুডিং করাঃ

বাচ্চাকে মেঝেতে ব্রুডিং করতে হলে ঘরের মেঝে পাকা ওশুকনো হওয়া প্রয়োজন। ব্রুডিার হাউজ বা বাচ্চার ঘরে বাচ্চাআনার অন্ততঃ দুই সপ্তাহ/১৪ দিন আগে ঘর ও ঘরের যন্ত্রপাতিযেমন: ব্রুডার, খাদ্যের পাত্র, পানির পাত্র, বাচ্চার গার্ড ইত্যাদিভালভাবে পরিস্কার করে অনুমোদিত জীবাণুনাশক দ্বারা জীবাণুমুক্ত করতে হবে। প্রাথমিক অবস্থায় বাচ্চাগুলোকে খাবার, পানিও তাপের উৎসের কাছাকাছি রাখার জন্য হার্ডবোর্ড দ্বারাগোলাকার চিকগার্ড তৈরি করে তার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্রুডার, খাবার পাত্র ও পানির পাত্র স্থাপন করতে হবে।

অনেক সময় বিশেষতঃ গরমের সময় হার্ডবোর্ডের পরিবর্তেতারের নেট দ্বারা চিকগার্ড তৈরি করা যায়। চিকগার্ডের উচ্চতাকম্পক্ষে ১৫ ইঞ্চি থেকে ১৮ ইঞ্চি হওয়া দরকার। ৭ ফুট থেকে৮ ফুট ব্যাসের িএকটি চিকগার্ডের ভিতর ৩০০-৪০০টি বাচ্চাপ্রাথমিকভাবে ব্রুডিং করা যাবে। বাচ্চা বড় হওয়ার সাথে সাথেবেশি জায়গা দরকার। তািই চিকগার্ডের ভিতরকার জায়গা অর্থাৎব্রুডার গার্ডের পরিধি বৃদ্ধি করতে হবে। ৪-৫ সপ্তাহের মধ্যেব্রুডার গার্ড উঠিয়ে দিয়ে বাচ্চা যাতে সমস্ত ঘরে স্বাচ্ছন্দে ঘুরেবেড়াতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। বাচ্চা বড় হওয়ার সাথেসাথে বাচ্চাদের পানরি পাত্র এবং খাদ্যের পাত্র পরিবর্তন করেলম্বা খাদ্যের পাত্র বা ঝুলানো খাদ্যের পাত্র ও পানির পাত্র দিতেহবে।

খাঁচাতে বাচ্চা ব্রুডিং:

খাঁচাতে ব্রুডিং করার সময় মেঝেতে বাচ্চা ব্রুডিং এর মতইব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়। তবে প্রাথমিক অবস্থাতে খাচার উপরেচাটাই বিছিয়ে তারপরে বাচ্চার বেষ্টনী তৈরি করা ভাল।

ব্রুডিং এর সময় ঘরের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণঃ

ব্রুডারের সাহায্যে কৃত্রিমভাবে তাপ দিতে হয়।এ সময় ব্রুডারেরনিচে মেঝে থেকে ২ ইঞ্চি উপরে ৯৫° ফাঃ তাপমাত্রা থাকতেহবে। বাজারে বিভিন্ন ধরনের ব্রুডার পাওয়া যায়। তবেসহজভাবে বিদ্যুতের বাল্বের সাহায্যে এ তাপের ব্যবস্থা করাযায়। ১০০ ওয়াটের ৪টি বাল্ব দ্বারা ৩০০-৪০০টি বাচ্চাকেভালভাবে ব্রুডিং করা যায়। বাচ্চা আনার ৪-৫ দিন পূর্ব থেকেব্রুডিং ব্যবস্থা চালু করে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।তা না হরে বাচ্চা ব্রুডারে দেওয়ার পর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণেরনিশ্চয়তা থাকবে না। যথাযথ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের অভাবেঅনেক বাচ্চা মারাও যেতে পারে।

ব্রুডার হাউজে প্রথম সপ্তাহে সাধারণতঃ ৯৫° ফাঃ তাপমাত্রাদিয়ে ব্রুডিং শুরু হয়। এই তাপমাত্রা পর‌্যায়কক্রমে প্রতিসপ্তাহে ৫° ফাঃ করে কমিয়ে আনা হয়। 

এভাবে বাচ্চা পারিপার্শ্বিক আবহওয়ার সাথে নিজেকে খাপখাইয়ে না নেয়া পর‌্যন্ত কৃত্রিম তাপের ব্যবস্থা করতে হবে।

অতিরিক্ত গরমঃ

এ অবস্থাতে বাচ্চা তাপের উৎস থেকে দূরে অর্থাৎ ব্রুডার গার্ডেরকাছাকাছি অবস্থান করবে এবং বাচ্চা হা করে শ্বাস নিবে। বাচ্চারখাদ্য গ্রহণ এ অব্স্থায় কমে যায়। এ অবস্থায় বাচ্চারআরামদায়ক অবস্থান সৃষ্টির জন্য তাপমাত্রা কমানো প্রয়োজন।ব্রুডারে যদি বৈদ্যুতিক বাল্ব ব্যবহার করা হয়, তাহলে ব্রুডারেবাল্বের সংখ্যা কমিয়ে অথবা ব্রুডার উঁচুতে উঠিয়ে তাপমাত্রাকমানো যেতে পারে।

অতিরিক্ত ঠান্ডাঃ

অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে বাচ্চাগুলো তাপের উৎসের নীচে এসেজড়ো হবে এবং চি চি করে ডাকাত থাকবে। অনেক সময়বাচ্চাগুলো ব্রুডারের নীচে গাদাগাদি করে বা একস্তর বাচ্চারউপরে আরেকস্তর বাচ্চা জমা হওয়ার (piling up) কারণেশ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যায়। বাচ্চাগুলো ব্রুডারেরনীচেথাকায় খাদ্য ও পানি গ্রহণ করতে পারে না। ফরেবাচ্চাগুলো তাড়াতাড়ি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধিপায়।

এ অবস্থায় চিকগার্ডের মধ্যে তাপমাত্রা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্রুডারে বাল্বসংযোজন বা ব্রুডারে যতদূর সম্ভব নীচে নামানো বা ঠান্ডাবআতাস প্রবেশ বন্ধ করতে হবে।

বাচ্চার জন্য আরামদায়ক অবস্থাঃ

এ অবস্থায় বাচ্চাগুলো গার্ডের মধ্যে সর্বত্র ছড়িয়ে থাকবে এবংঅল্প কিছু বাচ্চা ব্রুডারের নীচে থাকবে। খাদ্য ও পানি গ্রহণস্বাভাবিক থাকবে।

বাচ্চাগুলোর প্রথম খাদ্যৎ

বাচ্চা খামারে পৌঁছানোর পর পরই প্রথম গ্লুকোজ, ওয়াটারসলিউবল ভিটামিন এবং ভিটামিন ‘সি’ মিশ্রিত পানি(প্রতিলিটারে ২৫ গ্রাম গ্লুকোজ, ১ গ্রাম ভিটামিন জযডগপ, এবং ১গ্রাম ভিটামিন ‘সি’) চিকগার্ডের পানির পাত্রে সরবরাহ করতেহবে। অতপর চিকগার্ডের ভেতরে বাচ্চা ছাড়তে হবে। প্রয়োজনেবাচ্চা ছাড়ার পূর্বে বাচ্চার ঠোঁট গ্লুকোজ ও ভিটামিন মিশ্রিতপানিতে ডুবিয়ে পানি পান করাতে হবে। একানে বিশেষভাবেলক্ষ্য রাখতে হবে যে, বাচ্চা ছাড়ার পর কম্পক্ষে ৩ ঘন্টাভিটামিন মিশ্রিত পানি পান করার পর বাচ্চার পরিপাকতন্ত্র সচলহলে প্রথম দিন গম বা ভূট্টার দানা বা বাচ্চার জন্য তৈরিকৃতখাদ্যের যোগান দেয়া যেতে পারে। তারপর স্টারটার রেশনসরবরাহ করা হয়। স্টারটার রেশনে শতকরা ১৬-১৭ ভাগপ্রোটিন ২৮০০-২৯০০ কিলো ক্যালরি বিপাকীয় শক্তি (ক্যালরি/কেজি) থাকে।প্রথম সপ্তাহে প্রতিটি বাচ্চার জন্য গড়ে ৬-৭ গ্রামখাবার দরকার হয়।

বাচ্চার বাড়ন্ত অবস্তায় (৬-১৮ সপ্তাহ  বয়স) ব্যবস্থাপনাঃ

একটি ডিম পাড়া বাচ্চার ভিত্তি স্থাপিত হয় বাড়ন্ত অবস্থাথেকে। একটি মুরগি থেকে কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী উৎপাদনপেতে হলে বাড়ন্ত অবস্থো থেকেই সেভাবে তৈরি করতে হবে।যাতে করে ডিম পাড়া অবস্থায় মজবুত শারীরিক কাঠামোর মধ্যেআনুপাতিক মাংসের সমন্বয় থাকে। বাড়ন্ত বয়সে খাদ্য, প্রতিষেধক ও আলোক ব্যবস্থা মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

মুরগির খাদ্য ব্যবস্থাপনাঃ

নিচের চারটি রেশনের ফলাফল পরীক্ষা করে দেখা গেছে যেএদের কার‌্যকারিতা অত্যন্ত ভাল।

ক্রমিক নং

উপকরণ

স্টারটার রেশন

গ্রোয়ার রেশন

পুলেট রেশন

লেয়ার রেশন

পরিমাণ (কেজি)

পরিমাণ (কেজি)

পরিমাণ (কেজি)

পরিমাণ (কেজি)

০১

গম

৩৫.০ কেজি

২২ কেজি

২৩ কেজি

১৬ কেজি

০২

ভূট্টা

১৬.৯ কেজি

৩০ কেজি

৩৬ কেজি

৪০ কেজি

০৩

সয়াবিন

২৭.০ কেজি

২৮ কেজি

১৭ কেজি

২২ কেজি

০৪

চাউলের কুঁড়া

১৪.৮ কেজি

১৫ কেজি

১৯.৩ কেজি

১৪.৩ কেজি

০৫

ঝিনুক চূর্ণ

১.৫০ কেজি

১.৫ কেজি

২.৫ কেজি

১.৫ কেজি

০৬

ডি সি পি

১.৫০ কেজি

২.৫ কেজি

১.৫ কেজি

১.৫ কেজি

০৭

ভিটামিন প্রিমিক্স

০.২৫ কেজি

০.৫ কেজি

০.২৫ কেজি

০.২৫ কেজি

০৮

লাইসি
উপরোক্ত রেশনে যে সমস্ত উপাদান ব্রবহার করা হয়েছে তাসময়ে, আবহাওয়া এবং ঋতু পরিবন্তন এবং সহজলভ্যতারউপর নির্ভর করে। এছাড়াও খামারিগণ বাজারে প্রাপ্ত প্রস্তুতকৃতগুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য বয়স অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন।

মুরগির জন্য প্রস্তাবিত ভ্যাক্সিনেশন কর্মসুচি

ভ্যাক্সিন কর্মসূচি পোলট্রি ডিজিজ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে করাউচিত

রোগের নাম

টিকার নাম

টিকা প্রয়োগের বয়স

টিকার মাত্রা ও প্রয়োগ পথ

প্রতি ভায়ালের সরবরাহ মাত্রা

১. মারেক্স

মারেক্স টিকা

বাচ্চা মুরগি ১ দিন বয়সে

২০০ সি.সি ডাইল্যুয়েন্টেরসাথে গুলানোর পর ০.২এম.এল মাংসে বা চামড়ারনীচে

১০০০ মাত্রা টিকা+ ২০০সি.সি ডাইল্যুয়েন্ট

২. রাণীক্ষেত

বাচ্চা মুরগির রাণীক্ষেত টিকা(বি.সি.আর. ডি. ভি)

৫-৭ দিন বয়সে ১ম বার এবংজন্মের ২১ দিন বয়সে ২য় বার

০৬ ‍সি.সি ডিষ্টিল্ড ওয়াটারেমিশানোর পর মাত্র এক ফোটাএক চোখে

১০০ মাত্রা টিকা

৩. পিজিয়ন পক্স

পিজিয়ন পক্স টিকা

বাচ্চা মুরগি ৫-১০ দিন বয়সে

০৩ সি.সি ডিষ্টিল্ড ওয়াটারেমিশানোর পর বাইফারকেটনিডেল দ্বারা পাখার নীচে একফোটা খুচিয়ে প্রয়োগ করতেহয়

২০০ মাত্রা টিকা

৪. গামবোরো

বি.এ.ইউ ৪০৪

১০-২১ দিন বয়সে ১ম ডোজএবং ৭ দিন পর ২য় ডোজ

৫০ সি.সি ডাইল্যুয়েন্টের সঙ্গেমিশানোর পর এক চোখে একফোটা মাত্র

১০০০ মাত্রা টিকা + ৫০সি.সি ডাইল্যুয়েন্ট

৫. ফাউল পক্স

ফাউল পক্স টিকা

২০ দিন বা তদুর্ধ বয়সেরমুরগির বাচ্চা

০৩ সি.সি ডিষ্টিল্ড ওয়াটারেমিশানোর পর বাইফারকেটনিডেল দ্বারা পাখার নীচেএকাধিকবার খুচিয়ে প্রয়োগকরতে হবে

২০০ এম.এল মাত্রা টিকা

৬. বড় মুরগির রাণীক্ষেত

বড় মুরগির রাণীক্ষেত টিকা(আর.ডি.ভি.)

২ মাস বয়সে ১ম কার এবংপ্রতি ৬ মাস পরপর বুষ্টারডোজ

১০০ সি.সি ডিষ্টিল্ড ওয়াটারেমিশানোর পর ১ এ.এল মাংসপেশীতে

১০০ মাত্রা টিকা

৭. ফাউল টাইফয়েড/সালমোনেলোসিস

সালমোনেলা ফাউল টাইফয়েড টিকা

মুরগি ৬-৮ সপ্তাহ বয়সে ১মডোজ, ৪ সপ্তাহ পর ২য় ডোজ,৬ মাস বয়সে ৩য় ডোজ এবংপ্রতি ৬ মাস পরপর বুষ্টারডোজ

০.৫ এম.এল চামড়ার নীচে

২০০ মাত্রা টিকা

৮. মুরগির কলেরা

ফাউল কলেরা টিকা

২ মাস বয়সে মুরগিতে ১মবার এবং প্রতি ৬ মাস পরপরবুষ্টার ডোজ

ক) অয়েল এডজুভেন্ট টিকাঃ ১এম.এল চামড়ার নীচে ২১ দিনপর বুষ্টার ডোজ

খ) এলাম অধঃপতিত টিকাঃএকই মাত্রার মাংসে প্রয়োগকরতে হয়

১০০ মাত্রা টিকা

© 2018. FLID.gov.bd. All Rights Reserved.

site by Technobits.com