Followers

Wednesday, September 26, 2018

কবুতর পালন লাভজনক করবেন যেভাবে

শেরেবাংলা কৃষি বিশবিদ্যালয়, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

গৃহপালিত পাখির মধ্যে কবুতর অন্যতম একটি। এর মাংস খুবই সুস্বাদু এবং এতে প্রোটিনের পরিমাণও তুলনামূলকভাবে বেশি। অনেকেই শখের বশে কবুতর পালন করে। কেউ কেউ বাণিজ্যিকভাবেও কবুতর পালন শুরু করেছে। কারণ কবুতর পালন খুবই লাভজনক। উন্নতজাতের প্রতি জোড়া কবুতর ২ হাজার থেকে প্রায় ১ লাখ টাকায়ও বিক্রি হয়।

জীবনকাল ও বংশবৃদ্ধিপ্রতি জোড়া কবুতরে একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী কবুতর থাকে। এরা ২০-৩০ বছর পর্যন্তও জীবিত থাকে। এরা ডিম পাড়ে এবং পুরুষ ও স্ত্রী উভয় কবুতরই ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোঁটায়। মোটামুটি ১৮ দিন ডিমে তা দেয়ার পর ডিম থেকে বাচ্চা ফোটে। একজোড়া কবুতর থেকে বছরে ১০-১২ জোড়া বাচ্চা পাওয়া যায়। বাচ্চা ৫-৬ মাস বয়সে আবার ডিম দেয়া শুরু করে।

সুবিধাসমূহকবুতর সহজেই পোষ মানে এবং পালন খরচও অনেক কম। রোগ-ব্যাধিও তুলনামূলকভাবে খুবই কম হয়ে থাকে। চার সপ্তাহের মধ্যেই বাচ্চা খাওয়া বা বিক্রি করার উপযোগী হয়। অল্প জায়গাতেই পালন করা যায়। মুক্তভাবে পালন করলে খাবার খরচ খুবই কম। কবুতরের মাংসে পুষ্টিগুণও অধিক।

আরও পড়ুন- পাঙ্গাসের আচার রফতানি করা সম্ভব : ড. সালাম

প্রতিপালন ব্যবস্থাপনাকবুতর মুক্ত বা খাঁচায় উভয় উপায়েই পালন করা যায়। বাঁশ বা কাঠ দিয়ে ঘর তৈরি করে দিলে অনায়াসে কবুতর বসবাস করতে পারে। এমনকি গ্রামের বাড়ির চালের কোণায় ঝুড়ি বেঁধে দিলে সেখানেও কবুতর বসবাস করে। এ ক্ষেত্রে ডিম ফোটার হার প্রায় ৯৮%। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটতে প্রায় ১৮ দিন সময় লাগে। বাচ্চাকে খাওয়ানোর জন্য কবুতরের প্রাকৃতিকভাবে দুধ উৎপন্ন হয় যাতে পানি থাকে ৭০%, আমিষ থাকে ১৭.৫%, চর্বি থাকে ১০%, খনিজ পদার্থ থাকে ২.৫%। দৈহিক ওজন সাধারণত ৪০০-৫০০ গ্রাম হয়ে থাকে। দেহের তাপমাত্রা ৩৮.৮-৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জাতআমাদের দেশে ১শ’টিরও বেশি জাতের কবুতর রয়েছে। এছাড়া বর্তমানে কিছু বিদেশি কবুতরও দেখা যায়। জাতগুলো হলো- গোলা, গোলি, ময়ূরপঙ্খী, ফ্যানটেল, টাম্বলার, লোটান, লাহরি, কিং, জ্যাকোবিন, মুকি, সিরাজী, গ্রীবাজ, চন্দন প্রভৃতি।

খাবার তালিকাকবুতরের খাদ্যে পরিমাণমতো আমিষ, চর্বি, শর্করা, ভিটামিন, খনিজ ইত্যাদি উপাদান থাকা উচিত। একটি কবুতর প্রতিদিন সাধারণত ৩০-৫০ গ্রাম খাবার গ্রহণ করে। শীতকালে প্রতিদিন পানি গ্রহণের পরিমাণ ৩০-৬০ মিলিলিটার এবং গ্রীষ্মকালে ৬০-১০০ মিলি।

শস্যদানাকবুতরের প্রধান খাবার শস্যদানা। যেমন- গম, ভুট্টা, যব, মটর, খেসারি, সরিষা, চাল, ধান, কলাই ইত্যাদি।

আরও পড়ুন- টার্কি পালনে উদ্যোক্তা মিরাজের সফলতা

বাণিজ্যিক খাদ্যবাণিজ্যিক খাবারের সাথে অস্থিচূর্ণ বা চুনাপাথর বা ঝিনুকের গুঁড়া, ভিটামিন বা এমাইনো অ্যাসিড প্রিমিক্স, লবণ ইত্যাদিও মিশ্রিত করা হয়।

রোগ ও টিকাকবুতরের রোগ-ব্যাধি তুলনামূলক কম হয়। সচরাচর কবুতরের যে রোগগুলো হয়ে থাকে, তা হলো রাণীক্ষেত ও পক্স। এছাড়া পরজীবী দ্বারাও আক্রান্ত হতে পারে। এজন্য সময়মতো টিকা প্রদান করতে হবে এবং জীব নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে। নিয়মিত সুষম খাদ্য দিলে এবং পর্যাপ্ত আলো, বাতাসের ব্যবস্থা থাকলে রোগ-ব্যাধি কম হয়ে থাকে।

কবুতরের ব্যবহার সেই সুদূর প্রাচীনকাল থেকে। চিঠি আদান-প্রদানের জন্যও তখন কবুতর ব্যবহার করা হতো। এখনও কবুতরের চাহিদা ব্যাপক। রোগির পথ্য হিসেবে কবুতরের মাংস বেশ উপাদেয়। উন্নত জাতের কবুতর পালন করে অনেকের ভাগ্য পরিবর্তিত হচ্ছে। গ্রামে বা শহরে কবুতর পালন করে কেউ কেউ স্বাবলম্বী হয়েছে। বেকার সমস্যা সমাধানে কবুতর পালন অভূতপূর্ব ভূমিকা রাখতে পারে।

সৌজন্যে

মো. রাকিব খান/এসইউ/জেআইএম

Friday, September 7, 2018

পল্লী বিদূ্ৎ SMS Account No.

 বাড়ী- ৫২১
1014035674060
Hatchery- ৯৫২
1014035674062

Business Idea Choice

১.চা প্যাকিং ও বাজার জাতকরণ।
২. মাছের খাবার তৈরী।
৩. সেন্ডল তৈরী।
৪. মেহেন্দি তৈরী ও বাজার জাতকরণ

মাছের ভাসমান খাবার তৈরী

নিজেই মাছের ভাসমান খাবার তৈরী উপকারীতা এবং মুনাফা নিজের চোখেই দেখুন নিচের বিবরণ : নতুন উদ্যোক্তা এবং পোরাতন খামারী যারা মাছ চাষ করে লাভবান হতে চান , তাহলে কাল থেকেই বাজারের রেডিমেড প্যাকেটজাত দানাদার খাবার ছাড়ুন, আর খাবার নিজেই তৈরী করুন বাজারের সেরা ফিড বাজারে ৩৬ থেকে ৫২ টাকা কেজি দরে মাছের খাবার খাইয়ে ব্যবসা আপনার নয়, সব হবে ফিড কোম্পানীর। আপনার টাকা নাই তারা বাকী দেবে, এরপর ডিসেম্বর আসার সাথে সাথে প্রেসার শুরু হবে বছরের হিসাব ক্লোজ করার। ওদিকে আপনি হিসাব করে দেখবেন মাছ বিক্রি করে যা পাবেন সব দিতে হবে ফিড কোম্পানীকে। তারা আপনার পুকুর ঘাটে এসে বসে থাকবে টাকা নেয়ার জন্য, আর এমন ভাবে মানসিক যন্ত্রনা দেবে যে আপনি মান সম্মানের ভয়ে সব টাকা দিয়ে দিবেন। সে যাই হোক, বর্তমান বাজারে দেখা যায় বাজারে মাছের প্যাকেটজাত খাবারের সর্বনিম্ন দাম ৩৬ টাকা আর সর্বচ্চ ৫২ টাকা। অথচ আপনি একটু বুদ্ধি করলেই নিজেই অনেক ভাল মানের এই খাবার বানাতে পারেন এখন ২৬ টাকায়। যদি ৩০ টাকা কেজি প্রতি খরচ করেন তাহলে বানাতে পারেন হাইগ্রেডের মান সম্পন্ন খাবার। একটু হিসাব করে দেখেন তো কত টাকা আপনার সেভ হয় মাসে? @২৬ টাকা কেজি দরে ভাল মানের মাছের খাবার কি কি উপাদান দিয়ে বানাবেন? ১১৫০ কেজির একটা হিসাব দিলাম আজকের ২৭ই জানুয়ারি ২০১৭ বাজার দরর বিবেচনা করে। 

উপকরণঃ

রাইস ব্রান: ৪০০*২০ = ৮০০০টাকা, খৈল: ১৫০ *৩০.৮০ = ৪৬২০ টাকা, ভুট্টা= ১৫০*১৭।      = ২৫৫০ টাকা, আটা: ১৫০*১৭।      = ২৫৫০ টাকা, শুটকী: ২০০*৫২।  = ১০৪০০ টাকা, ঝিনুক গুড়া ১০০*৭= ৭০০ টাকা, মোট= ৩০৩২০ টাকা/১১৫০ কেজি। 

প্রতি কেজির দাম পড়ে ২৬.৩৬ টাকা। যদি ৩০ টাকার মধ্যে হাইগ্রেড/টপগ্রেডের মাছের খাবার বানাতে চান: রাইস ব্রান: ৪০০*২০ = ৮০০০ টাকা, খৈল: ১৫০ *৩০.৮০ = ৪৬২০ টাকা, ভুট্টা= ১৫০*১৭= ২৫৫০ টাকা, আটা: ১৫০*১৭= ২৫৫০ টাকা, শুটকী: ২০০*৫২= ১০৪০০ টাকা, চিটাগুড় বা মোলাসেস ৫০*৩২= ১৬০০ টাকা, ভিটামিন ১০*৩০০= ৩০০০ টাকা, মেশিনে বানানো খরচ: ১৫০০ টাকা। মোট= ৩৪২২০ টাকা/১১১০ কেজি। প্রতি কেজির দাম পড়ে ৩০.৮২ টাকা। এর থেকে ভালো মানের খাবার আছে কিনা আমার জানা নেই। তবে আপনাকে অবশ্যই ভাল মানের খাদ্যের উপাদানগুলো নিজে যাচাই করে কিনতে হবে। এখানে রাইস ব্রান বলতে অটো রাইস মিলের কুড়াকে বুঝানো হয়েছে যা থেকে রাইস ব্রান অয়েল বানানো হয়, সেই কুড়া। বাজারে অনেক নিম্ন মানের কুড়া পাওয়া যায়। আস্ত ভুট্টা কিনে নিজে সামনে থেকে ভাংগায়ে নিবেন। বাজারের তৈরী ভাংগা ভুট্টার সব গুড়া ভেজাল। সরিষার খৈল চেস্টা করবেন সরিষার মিল থেকে নেবার। যদিও এটা পাওয়া কঠিন, তাহলে বাজারের খৈল একটু দেখে বুঝে নেবেন। আপনারা যারা এই উপাদান গুলো না পাবেন, ময়মনসিংহ এর বৈলর বাজারে এই সব উপাদান প্রতি দোকানে দোকানে পাওয়া যায়। ওখান থেকে একটু বেশী পরিমানে ১ মাসের খাবার একবারে বানিয়ে নিবেন। নিজে খাবার বানায়ে নিলে আপনি খাবারের গুনগত মান নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন, যা বাজারের প্যাকেটজাত খাবারের বেলায় হবেন না। বাজারের প্যাকেটজাত খাবার কি উপাদান দিয়ে বানিয়েছে, এর গুনগত মান কি এসব কিন্তু অন্ধের মত বিশ্বাস করে খাওয়াতে হবে। কিন্তু আপনি নিজে বানায়ে নিলে এসব চিন্তার কোন কারনই থাকবেনা আর প্রতি কেজিতে আপনি ১০ থেকে ২৭ টাকা পর্যন্ত সেভ করতে পারবেন। পোনা মাছকে পাউডার খাবার দিতে হয়। এই পাইডার খাবারের দাম বাজারে ৫১-৫২ টাকা কেজি বিক্রি করে। কিন্তু আপনি এই পাউডার খুব ভাল মানের খাবার ২৬ টাকায় পেতে পারেন। কি করে? উপরের বর্ননা মতে আপনি যে দানাদার খাবার বানাচ্ছেন, সেখান থেকে কিছু খাবার মেশিনে গুড়া করে পাউডার করে নেন। কাজ হয়ে যাবে। আমি নিজে এভাবে করে খাইয়ে অনেক ভাল ফল পেয়েছি। তাই যদি মনে করেন ব্যবসা থেকে লাভবান হতে হবে, তাহলে একটু বুদ্ধি করে খরচ কমিয়ে আনতে হবে, আর এর প্রথম পদক্ষেপ হল বাজারের প্যাকেটজাত দানাদার খাবার বর্জন করে নিজেই খাবার তৈরি করে নেয়। আশাকরি আপনারা অবশ্যই লাভবান হবেন মাছের চাষ করে। আমরা আছি আপনার পাসে বাংলােদেশে এই প্রথম আমরাই সরাসরি চাইনা থেকে আমদানি করে ভাসমান মাছের খাবার তৈরী মেশিন আপনাদের মাজে সরবরাহ করে থাকি আপনার প্রায়োজনে যোগাযোগ করুন মডেল মেকার এশিয়া লি: 5R টিম ট্রাডীং হাজী প্লাজা ১ম তলা, ২২.মোললার টেক, শহীদ লতিফ রোড, দ: খান, উওরা,ঢাকা -১২৩০ মোবাইল :০১৬৮০৬৭২৮৮৮, ০১৭২৬২৫৫৫২৯