Followers

Saturday, March 9, 2019

গাভীর পুষ্টিকর খাদ্য ব্যবস্থাপনা।

১। গমের ভুসি ৫৬%
২। সয়াবিন খৈল ১৭%।
৩। ভুট্টার গুড়া ১২%।
৪। চালের কুড়া ১০%।
৫। চুনা পাথর ২.৪%
৬। খনিজ পদার্থ ২.৬%।

খাদ্য একবারে বা কয়েকবারে প্রদান করা যেতে পারে।
দুধ বাড়বে সাথে পুষ্টির মানও বাড়বে।
প্রজনন ক্ষমতা বাড়বে।
পশুর বাচ্চা দেওয়ার বিরতি কমবে।
বাছুরের দ্রুত শারীরিক বৃদ্ধি হবে।
এবং পশু তাড়াতাড়ি প্রাপ্তবয়স্ক হবে, দ্রুত বাচ্চা দেবে।
পশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
অপুষ্টি জনিত রোগ প্রতিরোধ করবে।
পশুর খাদ্য খরচ কমে যাবে, ফলে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং খামার লাভবান হবে। প্রথম তিন লিটার দুধের জন্য ৩ কেজি দানাদার খাদ্য দিতে হবে। পরের প্রতি লিটার দুধের জন্য এক কেজি দানাদার খাদ্য দিতে হবে। যদি দুধের চর্বির পরিমাণ ৪% কম হয়।
যদি দুধে চর্বির পরিমাণ ৪%  বেশি থাকে তবে ২.৫ লিটার দুধের জন্য এক কেজি দানাদার খাদ্য দিতে হবে।

পর্যাপ্ত পরিমাণ পরিষ্কার পানি দিতে হবে।
গাভীর প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী সুষম খাদ্য ও পর্যাপ্ত পুষ্টির যোগান দেয়। সুষম খাদ্য, স্বাস্থ্যবান গাভী, সর্বোচ্চ উৎপাদন।